ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬ , ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বর্ণাঢ্য আয়োজনে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় দিবস-২০২৬-এর প্রথম দিনের অনুষ্ঠান সম্পন্ন।

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-০৭-২৭ ০৯:৪৮:১৭
বর্ণাঢ্য আয়োজনে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় দিবস-২০২৬-এর প্রথম দিনের অনুষ্ঠান সম্পন্ন। বর্ণাঢ্য আয়োজনে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় দিবস-২০২৬-এর প্রথম দিনের অনুষ্ঠান সম্পন্ন।
নিজস্ব প্রতিবেদক



সাহিত্য-সংস্কৃতিপ্রযুক্তি-গড়ে উঠুক মানবিক পৃথিবী'-এই প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে দুই দিনব্যাপী রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় দিবস-২০২৬ উদযাপনের প্রথম দিনের কর্মসূচি শনিবার (২৫ জুলাই) বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। অনুষ্ঠানের সূচনায় শনিবার বিকেল ৫টায় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশের অস্থায়ী একাডেমিক ভবন-৩-এ রিসোর্স অ্যান্ড ইনোভেশন সেন্টার-এর শুভ উদ্বোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী প্রফেসর ড. এম এ মুহিত, এমপি। পরে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা ও বক্তৃতা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক তাহ্‌মিনা আখতার-এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী প্রফেসর ড. এম এ মুহিত, এমপি। বিশ্ববিদ্যালয় দিবস বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম এবং জেড নিউজের সম্পাদক আমিরুল ইসলাম কাগজী।



অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. সুমন কান্তি বড়ুয়া। প্রধান অতিথি মাননীয় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী প্রফেসর ড. এম এ মুহিত, এমপি তাঁর বক্তব্যের শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর, ট্রেজারার, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী, আমন্ত্রিত অতিথি এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিসহ উপস্থিত সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। বক্তব্যের শুরুতে তিনি বলেন, আজকের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পেরে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। এলাকার নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি এবং শাহজাদপুরের একজন সন্তান হিসেবে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সূচনালগ্ন থেকেই তিনি এ উদ্যোগকে সমর্থন করে আসছেন। তাঁর প্রত্যাশা, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শাহজাদপুরে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয় একদিন একটি আধুনিক, আন্তর্জাতিক মানের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে।



তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস না থাকায় যেমন শিক্ষার্থীরা হতাশ, তেমনি শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীরাও একই সমস্যার মুখোমুখি। দীর্ঘদিন দেশ-বিদেশে, বিশেষ করে বিদেশে শিক্ষকতা করার অভিজ্ঞতা থেকে তিনি মনে করেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার এক দশক পরও নিজস্ব ক্যাম্পাস না থাকা অত্যন্ত দুঃখজনক। বিভিন্ন স্থানে ভাড়া করা ভবনে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা একটি বড় ধরনের অব্যবস্থাপনার প্রতীক এবং এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নের পথে অন্যতম অন্তরায়। তিনি আরও বলেন, প্রতিষ্ঠার ১০ বছরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের যে অগ্রগতি হওয়ার কথা ছিল, তা পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি। বিগত বছরগুলোতে প্রত্যাশিত উন্নয়ন না হওয়ায় দেশের সার্বিক পরিস্থিতিতেও এর প্রতিফলন দেখা গেছে। তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে রাজপথে তরুণদের অংশগ্রহণ সেই পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষারই বহিঃপ্রকাশ। সেই প্রেক্ষাপটে তিনি বলেন, বর্তমান সময় পরিবর্তনের বার্তা নিয়ে এসেছে এবং ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ইতোমধ্যে অনেক ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচনা হয়েছে। প্রধান অতিথি বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বারবার আলোকবর্তিকার কথা বলেছেন।



সেই অনুপ্রেরণা থেকেই তাঁদের স্বপ্ন—রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে শাহজাদপুরকে নতুনভাবে আলোকিত করা এবং এর মাধ্যমে বাংলাদেশকে জ্ঞান, শিক্ষা ও সংস্কৃতির আলোয় সমৃদ্ধ করা। তিনি এ লক্ষ্য অর্জনে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, জনগণ তাঁকে যে দায়িত্ব দিয়েছে, তার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন নিশ্চিত করা। তিনি এ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবেন বলে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। রাষ্ট্রীয় নীতিমালা ও প্রচলিত নিয়ম অনুসরণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের অনুমোদন এবং শাহজাদপুরে এর বাস্তবায়নে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন। তবে তিনি নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা বা তারিখ ঘোষণা করে অবাস্তব প্রতিশ্রুতি দিতে চান না উল্লেখ করে বলেন, জনগণকে মিথ্যা আশ্বাস না দিয়ে নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যা যা করণীয়, সরকার তা-ই করবে। বক্তব্যের শেষাংশে তিনি রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক তাহ্‌মিনা আখতারের আন্তরিকতা, অগ্রগতি ও সক্রিয় উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন।


এরপর বিশ্ববিদ্যালয় দিবস বক্তা হিসেবে জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ "প্রযুক্তির যুগে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শিক্ষা দর্শন: বাংলাদেশ প্রেক্ষাপট ও সমকালীন পর্যালোচনা" শীর্ষক বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। সভাপতির বক্তব্যে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক তাহ্‌মিনা আখতার বলেন, "রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় কেবল একটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়; এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মানবতাবাদ, মুক্তচিন্তা, সাহিত্য-সংস্কৃতি এবং জ্ঞানচর্চার আদর্শকে ধারণ করে একটি আলোকিত সমাজ বিনির্মাণের স্বপ্নযাত্রা। প্রতিষ্ঠা দিবস আমাদের জন্য শুধু উৎসবের দিন নয়; এটি আত্মমূল্যায়নের দিন, নতুন অঙ্গীকারের দিন এবং ভবিষ্যতের পথরেখা নির্ধারণের দিন।" তিনি বলেন, "আমাদের লক্ষ্য শুধু ডিগ্রিধারী শিক্ষার্থী তৈরি করা নয়; বরং এমন মানবিক, সৃজনশীল, নৈতিক ও দায়িত্বশীল মানুষ গড়ে তোলা, যারা জ্ঞান, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং সমাজসেবার মাধ্যমে দেশ ও বিশ্বের কল্যাণে নেতৃত্ব দেবে। শিক্ষার প্রকৃত সাফল্য কেবল পরীক্ষার ফলাফলে নয়; তা প্রতিফলিত হয় একজন শিক্ষার্থীর চরিত্র, মূল্যবোধ, সৃজনশীলতা এবং সমাজের প্রতি তার দায়বদ্ধতায়।"উপাচার্য মহোদয় আরও বলেন, "একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃত শক্তি তার গবেষণা, জ্ঞানসৃষ্টি এবং উদ্ভাবনে। গবেষণাবিহীন বিশ্ববিদ্যালয় কখনো পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় হতে পারে না। তাই আমরা গবেষণাবান্ধব পরিবেশ, উদ্ভাবনী সংস্কৃতি এবং শিল্প-প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কার্যকর অংশীদারত্ব গড়ে তোলার মাধ্যমে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি আধুনিক জ্ঞানকেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে কাজ করছি।" তিনি বলেন, "'সাহিত্য-সংস্কৃতি ও প্রযুক্তি—গড়ে উঠুক মানবিক পৃথিবী'—এই প্রতিপাদ্য শুধু একটি স্লোগান নয়; এটি আমাদের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার ভিত্তি। আমরা এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলতে চাই, যেখানে সাহিত্য, সংস্কৃতি, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও মানবিক মূল্যবোধ পরস্পরের পরিপূরক হয়ে শিক্ষার্থীদের বিশ্বনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলবে। আমাদের স্বপ্ন—Local Roots, Global Wings; অর্থাৎ শিকড় থাকবে বাংলাদেশের মাটিতে, আর জ্ঞান ও সক্ষমতার বিস্তার হবে বিশ্বজুড়ে।"


উপাচার্য মহোদয় অব্যাহত সহযোগিতা কামনা করে বলেন, "স্থায়ী ক্যাম্পাস, আধুনিক গবেষণা অবকাঠামো, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও সমাজের সকল অংশীজনের সম্মিলিত সহযোগিতা অপরিহার্য। সবাইকে সঙ্গে নিয়েই রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের অঙ্গীকার।" বক্তব্যের শেষে তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মানবিক দর্শনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, "চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির—এই চেতনাকেই ধারণ করে আমরা এমন এক বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ করতে চাই, যেখান থেকে শুধু ডিগ্রিধারী নয়, বরং আলোকিত মানুষ, দক্ষ গবেষক, সৃজনশীল উদ্যোক্তা এবং দায়িত্বশীল নাগরিক গড়ে উঠবে। এসময় মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক তাহ্‌মিনা আখতার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে রিসোর্স অ্যান্ড ইনোভেশন সেন্টার-এর উদ্বোধন এবং মূল্যবান দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদানের জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী প্রফেসর ড. এম এ মুহিত, এমপি-কে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের বক্তা জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ, বিশেষ অতিথি পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম, জেড নিউজের সম্পাদক আমিরুল ইসলাম কাগজী এবং অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকল সম্মানিত অতিথি, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, শিক্ষার্থী, গণমাধ্যমকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতিও তিনি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, সকলের সম্মিলিত সহযোগিতা, শুভকামনা ও অংশীদারিত্বই রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশকে একটি আধুনিক, গবেষণামুখী ও আন্তর্জাতিক মানের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার প্রেরণা ও শক্তি জোগাবে। আলোচনা পর্ব শেষে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সন্ধ্যা ৭টায় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় সংগীতানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। পরে রাত সাড়ে ৮টায় ক্লোজআপ ওয়ান তারকা সংগীতশিল্পী মিজান মাহমুদ রাজীব-এর প্রাণবন্ত পরিবেশনায় মুখরিত হয়ে ওঠে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ। প্রসঙ্গত, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় দিবস-২০২৬-এর দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচি রবিবার (২৬ জুলাই) সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে শুরু হবে। এরপর জাতীয় সংগীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বেলুন উড্ডয়ন, পায়রা অবমুক্তকরণ এবং বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। পরে অনুষ্ঠিত হবে নবীনবরণ ও রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বৃত্তি-২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠান। এতে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক তাহ্‌মিনা আখতারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, এমপি-এর।


বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে সংরক্ষিত মহিলা আসন-৯-এর মাননীয় সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খান এবং সংরক্ষিত মহিলা আসন-৩০-এর মাননীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আরিফা সুলতানা রুমা-র। অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা উপহার প্রদান এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বৃত্তি-২০২৬ প্রদান করা হবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ